ঢাকা | বঙ্গাব্দ

এস আলম গ্রুপের সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক ইসলামী ব্যাংক দখলের চেষ্টা, বাঁধা দেওয়ায় ৫জনকে গুলি

  • আপলোড তারিখঃ 11-08-2024 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 216558 জন
এস আলম গ্রুপের সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক ইসলামী ব্যাংক দখলের চেষ্টা, বাঁধা দেওয়ায় ৫জনকে গুলি ছবির ক্যাপশন: ...............................................................
ad728
মো. জাহিদুর রহমান >>



বাংলাদেশের ব্যাকিং সেক্টর ধ্বসের মাস্টারমাইন্ড খ্যাত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে এস আলম গ্রুপ। আজ সকাল বেলা ১১টা এস আলম গ্রুপের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির দিলকুশা প্রধান কার্যালয় দখলের চেষ্টায় বাঁধা দিলে গুলি চালালে ৫জন গুলিবিদ্ধ হয়। সম্প্রতি দেশব্যাপী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে আওয়ামীলীগ সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করলে, এস আলম গ্রুপ কর্তৃক দখলকৃত ব্যাংকগুলো হতে অবৈধভাবে ভুয়া কোম্পানির নামে বেনামে শত শত কোটি টাকা উত্তোলন করার চেষ্টা চালায় এতে বাঁধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে এমন ঘটনা ঘটায় বলে ধারনা করা হচ্ছে। এঘটনার ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীরা ব্যাংকের বাইরে নেমে শ্লোগান দিতে থাকে। তাদের দাবি এই লুটেরা ও দখলবাজ গ্রুপের হাত থেকে ব্যাংকগুলোকে রক্ষা করা। এছাড়াও দিলকুশা ইউনুস সেন্টারের সামনে এস আলম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ সাইফুল আলমের ফাঁসির দাবীতে রাস্তা অবরোধ করে মিছিল করে। এই গ্রুপে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ৫ টি ব্যাংক। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক। এসব ব্যাংকগুলোকে নিজেদের পারিবারিক ব্যাংকে পরিনত করে। এসব ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি ব্যাংক হলো ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড যা বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি নামে পরিচিত। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ-এ এস আলম গ্রুপের তিন পদস্থ কর্মকর্তার যোগসাজসে এ ব্যাংক থেকে নামে বেনামে বিভিন্ন কোম্পানির নামে ঋণ নিয়েছেন হাজার হাজার কোটি টাকা।

ব্যবসায় বিনিয়োগের নামে তাদের ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা  ঋণ নিয়ে ব্যাংক গুলোকে পথে বসিয়েছেন। এমন কি ঐসব ব্যাংকের মালিকানা কিনে ও পদস্থ কর্মকর্তা বসিয়ে বিগত ৭ বছর ধরে একছত্র আধিপত্য চালিয়ে যাচ্ছিলো। 

সূত্রমতে, সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলন আন্দোলনে দেশব্যাপী সৃষ্ট  অস্থিরতার মধ্যে বিপুল পরিমাণ অর্থ উত্তোলনের এই চেষ্টা করলে ব্যাংকের  কাছে সন্দেহজনক মনে হয় তাই উল্লেখিত ৫৪৮ কোটি  টাকা উত্তোলনের এই চেক প্রত্যাখ্যান করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।এই কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, অর্থ উত্তোলনের চেষ্টার পেছনে ইসলামী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. আকিজ উদ্দিন ও তার সহযোগীদের হাত আছে।

এছাড়াও গত মঙ্গলবার ইসলামী ব্যাংক চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ করপোরেট শাখা এস আলম গ্রুপের আরেকটি ভুয়া  কোম্পানির চেকের মাধ্যমে  ৩২৫ কোটি টাকা উত্তোলন করতে গেলে অফিস কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে এটি এস আলম গ্রুপের তাই এ চেকটিও উত্তোলনে ব্যর্থ হয়। এসব কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ইসলামী ব্যাংক দখলের চেষ্টা চালায়।


নিউজটি পোস্ট করেছেনঃ Bangladesh Shomachar

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা কি কাজ করবে?